কুমিল্লা দর্শনীয় স্থান- রাত্রি যাপন, খাবার ব্যবস্থা ও পর্যটন স্পট সমূহ

খাদি কাপড় এবং রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত শহরে আপনাকে আমন্ত্রণ। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল  কুমিল্লায় আপনাকে স্বাগতম।

পরিচিতিঃ

কর্কটক্রান্তি রেখা কুমিল্লা জেলা অতিক্রম করেছে। উত্তরে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, দক্ষিণে ফেনী ও নোয়াখালী, পূর্বে ভরতের ত্রিপুরা, পশ্চিমে চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ। আয়তন: ৩০৮৭.৩৩ বর্গ কি.মি। ১৭টি উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা জেলা গঠিত। সংসদীয় আসন ১১টি, সিটি কর্পোরেশন ১টি। ইউনিয়ন ১৮৫টি, গ্রাম- ৩,৬৮৭ টি, হাট-বাজার- ৫৫৫টি, মোট জনসংখ্যা- ৫৬,০২,৬২৫ জন, সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ৫টি, বেসরকারি কলেজ ৩১টি ও অন্যান্য হাজার খানেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত এই জেলা। শিল্প কারখানা রয়েছে প্রায় হাজার চারেক তন্মধ্যে বৃহৎ শিল্প ইপিজেড ১টি, বস্ত্রকল ৭টি। কুমিল্লা দর্শনীয় স্থান





যেভাবে যাবেন-

  • কাউন্টারে যোগাযোগ করতে নিচে স্ক্রল করলে কাউন্টারের তথ্য পেয়ে যাবেন।

দর্শনীয় স্থান- কুমিল্লা দর্শনীয় স্থান

আকর্ষনীয়  দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে-

ময়নামতি ওয়্যার সিমেট্রি

কুমিল্লা শহর থেকে ৫ কি.মি পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের পিরা বাজারে অবস্থিত ময়নামতি ওয়্যার সিমেট্রি। সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫ টা অবধি খোলা থাকে।

ম্যাজিক প্যারাডাইস-

কুমিল্লা শহর থেকে ২ কি.মি দূরে ম্যাজিক প্যারাডাইস অবস্থিত। কুমিল্লা কোটবাড়ি বিশ্ববাড়ি থেকে লোকাল সিএনজি করে ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে যাওয়া যায় ম্যাজিক প্যারাডাইসে।

লালমাই পাহাড়-

কুমিল্লা শহর থেকে লোকাল গাড়ি করে লালমাই পাহাড়ে যাওয়া যায়। পাহাড়ের দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি। এটির উচ্চতা ৪৬ মিটার। পাহাড়টির উত্তর অংশ ময়নামতি পাহাড় এবং দক্ষিণ অংশ লালমাই পাহাড় নামে পরিচিত।

শালবন বিহার-

শালবন বিহার কুমিল্লা জেলার কোটবাড়িতে অবস্থিত।  প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন শালবন বিহার।

ধর্মসাগর-

কুমিল্লা শহর থেকে ধর্মসাগর যে কোন গাড়ি যাতায়াত করে খুব সহজে ধর্মসাগরে যেতে পারবেন। বর্তমানে তার আয়তন ২৩.১৮ একর জুড়ে ধর্মসাগর।

বৌদ্ধ মন্দির-

কুমিল্লা জেলার লালমাই ময়নামতি প্রত্নস্থলের অসংখ্যা প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি এটি অনন্য।

ব্লু ওয়াটার পার্ক-

কুমিল্লা শহরে অবস্থিত ব্লু ওয়াটার পার্ক। কুমিল্লা প্রাণকেন্দ্র থেকে খুব সহজে যাতায়াত করা যায়। ব্লু ওয়াটার পার্ক।

ডায়নাসোর পার্ক-

কুমিল্লা শহর থেকে ডায়নাসোর পার্ক যাতায়াত করা যায়।

ফান টাউন-

কুমিল্লার  ইপিজেড হেয়ে ঢুলিপাড়া চৌমুহনি থেকে সামান্য দক্ষিণে ফান টাউনে পৌঁছে যাবেন।

শাহ সুজা মসজিদ-

শিাহ সুজা মসজিদ ৩৫০ বছর ধরে কুমিল্লার জেলায় স্ব মহিমায় টিকে আছে। কুমিল্লা শহর থেকে রিক্সা অথবা ট্যাক্সি নিয়ে যাওয়া যায়।

উটখাড়া মাজার-

কুমিল্লা শহর থেকে উটখাড়া মাজার যাতায়াত করা যায়। বার আউলিয়া চট্টগ্রামে তিনশত ষাট আউলিয়া সিলেটে আর তিনশত আউলিয়ার বিচরণ ভূমি কুমিল্লা।

গোমতী নদী-

কুমিল্লা কোম্পানীগঞ্জ বাজার হতে ৩ কি.মি পশ্চিমে অবস্থিত। বাস/ট্যাক্সিযোগে যোগে যাওয়া যায়। গোমতী নদীর উৎপত্তি স্থল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অমরপুর, উদয়পুর, সোনাইমুড়ী নামক স্থানের পাহাড়িয়া এলাকায়।


    যেখানে রাত্রিযাপনঃ

    • ৩০০ টাকার রুম থেকে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট অবধি ভাড়া পাবেন। তন্মধ্যে হোটেল কিউ প্যালেস, আমানিয়া রেষ্ট হাউস, হোটেল ড্রিমল্যান্ড, হোটেল নিদ্রবাগ, মাসুম রেষ্টহাউজ, হোটেল মেলোডি,  সবু রেষ্টহাউজস, হোটেল মিডটাউন, হোটেল মেরাজ, হোটেল আল-ফালাহ, আসিক রেসিডেন্সিয়াল রেষ্টহাউজ, ইত্যাদি হোটেল রয়েছে।
    • রুম বুকিং করতে পারেন – বুকিং রুম।

    যেখানে খাবেনঃ

    কুমিল্লার খাবার?

    • কুমিল্লা ছিল বিকেলে বিশেষ খাওয়াদাওয়া। মাতৃ ভান্ডারের রসমালাই তো যুগ ‍যুগ ধরে কুমিল্লার ঐতিহ্য। সে ঠিকানা হল মনোহরপুর একমাত্র বিখ্যাত রসমালাই সার্ভিসেস। বাকি সবগুলো সার্ভিস ছদ্মনাম হিসেবে ব্যবহার করে।
    • ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার যাত্রীদের হামেশায় থামতে হয় কুমিল্লার বিভিন্ন ক্যাফে রেষ্টুরেন্টে।
    • কুমিল্লা শহরে দু’কদম হাটলেই বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট, ক্যাফে, হোটেলে খাবার জুটে।

    শহরে আপনার পছন্দের কেনাকাটাঃ

    কুমিল্লা খাদি বস্ত্রের জন্য বিখ্যাত। কুমিল্লা বিভিন্ন শপিং মলে খাদি বস্ত্র পাওয়া যায়। কুমিল্লা যাবো

    কোথায় গাড়ি পাব? কাউন্টার কোথায়? গাড়ি না পেলে কী করবো?  রাতে কী গাড়ি পাব? থাকার জায়গা পাব? রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে?

    • কুমিল্লা যে প্রান্তে আসবেন না কেন? কিংবা যেখানে থাকেন না কেন? আপনি খুব সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। সব স্টেশনে আপনি কাউন্টার পাবেন । প্রতিটা ষ্টেশনে বিভিন্ন বাস কাউন্টার রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনার গন্তব্যের ঠিকানা খুঁজে নিতে পারবেন।
    • আপনার কাউন্টার খুঁজে পেতে আমাদের নিচের বাস কাউন্টার নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে আপনাকে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে দিবে।
    • কুমিল্লা বাস স্ট্যান্ড ২৪ ঘণ্টা যাতায়াত ব্যবস্থা খোলা থাকে। আপনি নিচের দিকে স্ক্রল করলে বাসের ঠিকানা পেয়ে যাবেন।
    • কুমিল্লা প্রতিটা স্টেশনে, অলি-গলিতে আপনার থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। উপরে লিংকে প্রবেশ করে রুম বুক করতে পারেন।

    খাদি বস্ত্র ও বিখ্যাত রসমালাই এবং অসংখ্যা দর্শনীয় স্থান সিমেট্রী, শালবন বিহার, গোমতী নদী ইত্যাদি ইত্যাদি কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে আপনাকে আবারও আমন্ত্রণ।




    বাংলাদেশের অনান্য দর্শনীয় স্থান গুলো দেখতে ভিজিট করুন আমাদের সাইট