গাইবান্ধা যাবো- কোথায় রাত্রি করবো, কোথায় খাবো, দর্শনীয় স্থানসমূহ

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগ প্রশাসনিক অঞ্চল গাইবান্ধা জেলায় আপনাকে স্বাগতম।

পরিচিতি- গাইবান্ধা যাবো

গাইবান্ধা জেলার উত্তরে কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলা, দক্ষিণে বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলা, পূর্বে জামালপুর জেলা, তিস্তা ও যমুনা নদী এবং পশ্চিমে রংপুর, দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলা অবস্থিত। গাইবান্ধা সাতটি উপজেলায় বিভক্ত। এই গাইবান্ধা শহর প্রায় ৫২০০ বছর আগে গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় রাজার রাজদানী ছিল। বিরাট রাজার প্রায় ৬০ (ষাট) হাজার গাভী ছিল। সেই গাভী বাধার জায়গা হিসেবে নামটি প্রচলিত রয়েছে। গাইবান্ধার ক্ষুদ্র শিল্প, মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্প সহ প্রায় ১৭০০টি শিল্প রয়েছে। এই জেলার উল্লেখযোগ্য নদীসমূহের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদ, তিস্তা নদী, যমুনা, ঘাঘট, বাঙালি নদী ইত্যাদি ইত্যাদি।



যেভাবে যাবেন-

  • কাউন্টারে যোগাযোগ করতে নিচে স্ক্রল করলে কাউন্টারের তথ্য পাবেন।
  • প্রতিটি বাসের কাউন্টারের নাম্বার এবং ঠিকানা দেওয়া আছে। কোন কারণ বশতঃ ফোন নাম্বার বন্ধ পেলে অন্য আরেকটি বাসের নাম্বারে কল করুন। নিচে প্রতিটি বাসের ভাড়া উল্লেখ করা আছে।

দর্শনীয় স্থান- (গাইবান্ধা যাবো যা যা দেখবো)

আপনার ভ্রমণ তৃষ্ণা মেটাতে এই জেলায় রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান।

আকর্ষনীয় দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে-

এস.কে.এস ইন রিসোর্ট-

আধুনিক এস.কে.এস ইন রিসোর্ট গাইবান্ধা জেলার অবস্থিত। সবুজ-শ্যামল মায়ায় ঘেরা প্রায় ১০ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত নজরকাড়া প্রাকৃতিক পরিবেশের এস.কেেএস ইন রিসোর্টে আছে নানা রকম বৃক্ষ, জিম, গেম জোন, উন্মুক্ত মঞ্চ, কিডস জোন, সুইমিংপুল, রেস্টুরেন্ট, সেমিনার কক্ষ, দৃষ্টিনন্দন পুকুর সহ নানান রকম আধুনিক স্থাপনা। গাইবান্ধা শহর থেকে ৪ কি.মি দূরে অবস্থিত এস.কে.এস ইন।

জামালপুর শাহী মসজিদ-

গাইবান্ধা অবস্থিত জামালপুর শাহী মসজিদটি প্রায় ৬০০ বছর পূর্বে ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে ইরাক সুফি হযরত শাহ জামাল (রঃ) এর তত্ত্ববধানে এই ঐতিহাসিক শাহী মসজিদটি নির্মিত হয় এবং তাঁর নামানুসারে ইউনিয়ন পরিষদ ও মসজিদের নামকরণ করা হয়। গাইবান্ধা শহর থেকে ১৬ কি.মি পশ্চিমে সাদুল্লাপুর উপজেলার অন্তর্গত বড় জামালপুর গ্রামে জামালপুর শাহী মসজিদের অবস্থান।

গাইবান্ধা পৌর পার্ক-

গাইবান্ধা পৌর পার্ক, গাইবান্ধা পৌরসভার আওতাধীন বিনোদন কেন্দ্র। ১ একর ৭ শতক জমিতে গাইবান্ধা পৌর পার্ক যাত্রা শুরু করে। গাইবান্ধা জেলা থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা নিয়ে যাতায়াত করা যায়।

বামনডাঙ্গা জমিদার বাড়ি-

গাইবান্ধা জেলার জমিদার বাড়ি বামনডাঙ্গায় অবস্থিত। এই জমিদার বাড়ির গোড়াপত্তনকারী জমিদার কৃষ্ণকান্ত রায়। কিন্তু কখন এই জমিদার বাড়ি নির্মাণ করা হয় তা জানা নেই কারো। গৌড় বংশীয় একজন ব্রাহ্মণ হল কৃষ্ণকান্ত। গাইবান্ধা শহর থেকে সরাসরি বামনডাঙ্গায় যাওয়া যায়।

ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার-

ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার হল সম্পূর্ণ মাটির নিচে অবস্থিত। তার নান্দ্যনিক নির্মাণশৈলীর জন্য ইতিমধ্যে দেশ বিদেশের বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে। মহাস্থানগড় বৌদ্ধ বিহারের অনুপ্রেরণায় নির্মিত ভবনের স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরী। গাইবান্ধা জেলা থেকে মাত্র ৫ কি.মি দূরে অবস্থিত।

ড্রিমল্যান্ড এডুকেশনাল পার্ক-

ড্রিমল্যান্ড পার্কের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে সরু রাস্তায় দুই পাশজুড়ে শোভাবর্ধন করে থাকা নানা রকম দেশি-বিদেশি ফুলের গাছ। এটি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিণমারী গ্রামে অবস্থিত। প্রধান শহর থেকে ৩০ কি.মি দূরে অবস্থিত।

বালাসী ঘাট-

বালাসী ঘাট বা নৌবন্দরের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানসহ বিদেশেও পণ্য পরিবহন করা হয়। এটি গাইবান্ধা জেলার নৌবন্দর ও দর্শনীয় স্থান।


যেখানে রাত্রিযাপন- গাইবান্ধা যাবো যেখানে থাকবো

  • ৩০০ টাকার রুম থেকে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট অবধি ভাড়া পাবেন। তন্মধ্যে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এস.কেএস ইন, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র ইত্যাদি হোটেল রয়েছে।
  • রুম বুকিং করতে পারেন – বুকিং.কম

যেখানে খাবেন- গাইবান্ধা যাবো যা যা খাবো

  • গাইবান্ধার খাবার?
  • এই জেলার রসমঞ্জরী এর জন্য বিখ্যাত। রসমঞ্জরী হলো গাইবান্ধা জেলার বিখ্যা মিষ্টি। এটি খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার গাইবান্ধা জেলার।
  • উক্ত শহরে দু’কদম হাটলেই বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট, ক্যাফে, হোটেলে খাবার জুটে।

কোথায় গাড়ি পাব? কাউন্টার কোথায়? গাড়ি না পেলে কী করবো? রাতে কী গাড়ি পাব? থাকার জায়গা পাব? রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে?

  • গাইবান্ধা যে প্রান্তে আসবেন না কেন? কিংবা যেখানে থাকেন না কেন?আপনি খুব সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। সব স্টেশনে আপনি কাউন্টার পাবেন ।  প্রতিটা ষ্টেশনে বিভিন্ন বাস কাউন্টার রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনার গন্তব্যের ঠিকানা খুঁজে নিতে পারবেন।
  • আপনার কাউন্টার খুঁজে পেতে আমাদের নিচের বাস কাউন্টার নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে আপনাকে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে দিবে।
  • এই শহরে বাস স্ট্যান্ড ২৪ ঘণ্টা যাতায়াত ব্যবস্থা খোলা থাকে। আপনি নিচের দিকে স্ক্রল করলে বাসের ঠিকানা পেয়ে যাবেন।
  • এই জেলায় প্রতিটা স্টেশনে, অলি-গলিতে আপনার থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। উপরে লিংকে প্রবেশ করে রুম বুক করতে পারেন।

গাইবান্ধা জেলায় আপনাকে আমন্ত্রণ।





বাংলাদেশের অনান্য দর্শনীয় স্থানের সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন