নাজিরপুর যাবো । কোথায় থাকবো । কি কি দেখবো । কোথায় খাবো সহ ইত্যাদি

নাজির শাইল চালের বাজার নাজিরপুর উপজেলায় আপনাকে স্বাগতম। নাজিরপুর ভ্রমণ হোক আনন্দের সাথে।

পরিচিতি- নাজিরপুর যাবো

আগা বাকের খাঁর নামে একজন নাজির এ অঞ্চলে বসবাস করতেন। তিনি যে এলাকায় বসবাস করতেন সে এলাকার নাম হয় নাজিরপুর। ধীরে ধীরে গড়ে উঠে জনবসতি এবং প্রতিষ্ঠিত হয় উপজেলা। এই এলাকায় একসময় নাজির শাইল নামের একপ্রকার সরু চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ছিল। এটি পিরোজপুর জেলার একটি উপজেলা যার উত্তরে রয়েছে টুঙ্গিপাড়া, পূর্বে নেছরাবাদ, দক্ষিণে পিরোজপুর জেলা ও পশ্চিমে বাগেরহাট জেলা। এই উপজেলায় রয়েছে ৯টি ইউনিয়ন (মাটিভাঙ্গা, মালিখালী, দেউলবাড়ী দোবড়া, দীর্ঘা, শাখারীকাঠী, নাজিরপুর সদর, সেখমাটিয়া, শ্রীরামকাঠী এবং কলারদোয়ানিয়া)। এখানে রয়েছে কৃতি ব্যক্তিত্বগণ মোস্তাফা জামাল হায়দার (সাবেক মন্ত্রী), ডাক্তার ক্ষিতিশ চন্দ্র মন্ডল (ত্রাণ ও পূনর্বাসন প্রতিমন্ত্রী), নীরোদ বিহরী নাগ, দিলিপ কুমার বিশ্বাস (চলচিত্র পরিচালক) ইত্যাদি।




যেভাবে যাবেন- নাজিরপুর যাবো

আপনি যে এলাকা থেকে এই এলাকায় আসতে চাচ্ছেন। সেই এলাকার নাম এবং যেখানে  যাবেন (এলাকার) সিলেক্ট করে আমাদের ওয়েবসাইটের হোম পেইজে সার্চ করুন। আমাদের ওয়েবসাইট (কেমনে যাবো ডট কম)-এ পাবেন, বাস কাউন্টার লোকেশন এবং ফোন নাম্বার, বাসের ভাড়া, বাসের ধরণ (এসি / নন-এসি) এবং সক্ষিপ্ত ইতিহাস।

দর্শনীয় স্থান সমূহ-

আকর্ষনীয় দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে-

উপজেলা পরিষদের ফুলের বাগান-

পিরোজপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে এবং শহরের যে কোন জায়গা থেকে রিক্সা/টেম্পু/অটো করে উপজেলা পরিষদের ফুলের বাগানে যাওয়া যায়।



ভাসমান সবজি চাষ-

নাজিরপুর উপজেলা থেকে সড়ক পথে দীর্ঘ খেয়াঘাট থেকে সোজা ৭ কি.মি দূরে অবস্থিত এই ভাসমান সবজি চাষ।

ছয়হিস্যা তালুকদার বাড়ী মাজার-

বাউফল উপজেলা থেকে রিক্সা/মোটর নিয়ে সহজেই ছয়হিস্যা তালুকদার বাড়ী মাজার যাওয়া যায়।

যেখানে রাত্রিযাপন- নাজিরপুর যাবো

  • ৩০০ টাকার রুম থেকে মোটামুটি মানের রুম ভাড়া পাবেন। জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, নাজিরপুর উপজেলা আরো অনেক লোকাল আবাসিক রয়েছে ইত্যাদি।
  • রুম বুকিং করতে পারেন – বুকিং রুম।

যেখানে খাবেন

  • এই শহরের এর খাবার? ———> এই  এলাকার মানুষ ভোজন বিলাসী।
  • এখানে রয়েছে নানান প্রজাতির শাক-সবজি।
  • এই শহরে দু’কদম হাটলেই  বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট, ক্যাফে, হোটেলে খাবার জুটে।

পছন্দের কেনাকাটা 

  • এই এলাকায় ছোট ছোট কয়েকটি মার্কেট রয়েছে।
  • এই শহরে কেনকাটা হোক আনন্দের সাথে।

কোথায় গাড়ি পাব? কাউন্টার কোথায়? গাড়ি না পেলে কী করবো?  রাতে কী গাড়ি পাব? থাকার জায়গা পাব? রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে?

  • এই শহরের যে প্রান্তে আসবেন না কেন? কিংবা যেখানে থাকেন না কেন? আপনি খুব সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। সব স্টেশনে আপনি কাউন্টার পাবেন। প্রতিটা ষ্টেশনে বিভিন্ন বাস কাউন্টার রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনার গন্তব্যের ঠিকানা খুঁজে নিতে পারবেন।
  • বাস স্ট্যান্ড ২৪ ঘণ্টা যাতায়াত ব্যবস্থা খোলা থাকে। আপনি নিচের দিকে স্ক্রল করলে বাসের ঠিকানা পেয়ে যাবেন।
  • প্রতিটা স্টেশনে, অলি-গলিতে আপনার থাকার ব্যবস্থার য়েছে। উপরে লিংকে প্রবেশ করে রুম বুক করতে পারেন।




বাংলাদেশের জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানসমূহের তথ্য (কাউন্টার লোকেশন ও ফোন নাম্বার, ভাড়া, বাসের ধরণ (এসি / নন-এসি) এবং এরিয়ার পরিচিতি, যেখানে থাকবেন এবং খাবেন) পেতে এই লিংকে ক্লিক করুন। 

 

x