বরগুনা যাবো । কি কি দেখবো । কোথায় রাত্রি যাপন । কোথায় খাবো সহ ইত্যাদি

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত বরগুনা জেলায় আপনাকে স্বাগতম। বরগুনা ভ্রমণ হোক আনন্দের সাথে।

পরিচিতি-

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রশাসনিক অঞ্চল বরগুনা জেলা ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর-এর আঘাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা। বরগুনা জেলার দক্ষিণে রয়েছে পটুয়াখালী ও বঙ্গোপসাগর, উত্তরে ঝালকাটি, বরিশাল, পিরোজপুর ও পটুয়াখালী, পূর্বে পটুয়াখালী এবং পশ্চিমে পিরোজপুর ও বাগেরহাট। বরগুনা নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন প্রবাদ ও কিংবদন্তি কোন ব্যক্তির নামে প্রচলিত আছে। অনেকে মনে করেন বড়গোণা শব্দ হতে বরগুনা নামের উদ্ভব। অনুকূল স্রোতের অবস্থাকে বড়গোণা বলে। বরগুনা জেলায় মোট ৬টি উপজেলা রয়েছে (আমতলী, তালতলী, পাথরঘাটা, বরগুনা সদর, বামনা এবং বেতাগী)। বরগুনা এর অর্থনীতির মূল উৎস হল কৃষি । যেমন শস্য ধান, চিনাবাদাম, সরিষা, সূর্যমুখী ও বিভিন্ন ধরণের ডাল সহ বরগুনা উপকূলবর্তী জেলায় হওয়ায় বরগুনার অনেকেই জেলের কাজ করে। এই শহরে রয়েছে ভাস্কর্য মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাগরিত ভাস্কর্য “অগ্নিঝরা একাত্তর” যা পৌর শহরের টাউন হল চত্বরে অবস্থিত। শহরটিতে রয়েছে নানান রকম সংস্কৃতি তন্মধ্যে লোক সংস্কৃতি, শাস্ত্রীয় সংস্কৃতি, রাখাইন সংস্কৃতি ইত্যাদি।



যেভাবে যাবেন-

আপনি যে এলাকা থেকে বরগুনা আসতে চাচ্ছেন। সেই এলাকার নাম এবং যেখানে যাবেন (বরগুনা) সিলেক্ট করে আমাদের ওয়েবসাইটের হোম পেইজে সার্চ করুন। আমাদের ওয়েবসাইট (কেমনে যাবো ডট কম)-এ পাবেন, বাস কাউন্টার লোকেশন এবং ফোন নাম্বার, বাসের ভাড়া, বাসের ধরণ (এসি / নন-এসি) এবং সক্ষিপ্ত ইতিহাস।

দর্শনীয় স্থান সমূহ- বরগুনা

আকর্ষনীয় দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে-

হরিণঘাটা পর্যটন কেন্দ্র-

বরগুনা জেলায় অবস্থিত এক প্রাকৃতিক বন আর সাগর হাতছানিতে মুগ্ধ করা পর্যটক এরিয়া পরিণঘাটা পর্যটন কেন্দ্র। যেখানে রয়েছে জানা-অজানা গাছ আর বন্যপ্রাণীর এই বিচরণস্থল সুন্দরবনরেই একটি অংশ।
বরগুনা থেকে লঞ্চ নিয়ে যাওয়া যায় হরিণঘাটা।

টেংরাগিরি ইকোপার্ক-

এই জেলায় অবস্থিত বিশলা বনভূমি নিয়ে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য টেংরাগিরি ইকোপার্ক। যেখানে রয়েছে সবুজ ঘন ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, সৈকতের তটরেখায় লাল কাঁকড়াদের ছুটোছুটি, পাখির কলকাকলি ও শেষ বিকেলের দিগন্ত রেখায় সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য ইত্যাদি।
বরগুনার সদর থেকে আমতলী এসে মোটরবাইক অথবা ইজিবাকে সোনাকাটা যেতে যাওয়া যায়।



শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত-

এই জেলায় অথৈ সাগরের ঢেউ সবুজ ঝাউবনে ঘেরা এক দৃষ্টিনন্দন সৈকতের নাম শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত। এখানে সন্ধ্যা বেলায় সমুদ্র সৈকত দেখতে অনেক সুন্দর লাগে এবং নিরিবিলিতে সময় কাটাতে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত।

বরগুনা থেকে তালতলী উপজেলায় এসে বাইক চড়ে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের অবস্থিত সন্ধ্যা সৈকতে যাওয়া যায়।

লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত-

এই জেলায় অবস্থিত দুই নদী এবং সাগরের মোহনায় ঘেরা এ বনের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত লালদিয়া ও সমুদ্র সৈকত। এখানে একটি শুটকি পল্লী রয়েছে যা ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে চলছে।
বরগুনা জেলা থেকে লালদিয়া বনে যাওয়ার জন্য ট্রলার বা নৌকা ভাড়া করতে হয়।

বিবি চিনি মসজিদ-

এই জেলায় নানা ধরণের বৃক্ষ ঘেরা এক গম্বুজ মসজিদ রয়েছে যা শাহ নেয়ামত উল্লাহ (রা) পারস্য থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এই অঞ্চলে আগমণ করেন এবং সেই মসজিদে অবস্থান করেন।
বরগুনা জেলা হতে বেতাগি উপজেলায় এসে বিবিচিনি মসজিদে যাওয়া যাবে।

অন্যান্য দর্শনীয় স্থানঃ

  • নলবুনিয়া।
  • তালতলী।
  • বিহঙ্গ দ্বীপ বা ধানসিড় চর।




যেখানে রাত্রিযাপন-

  • ৩০০ টাকার রুম থেকে ভাল মানের রুম ভাড়া পাবেন। তন্মধ্যে জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, খামারবাড়ী রেস্ট হাউজ, এ্যাগ্রো সার্ভিস সেন্টার, বরগুনা রেস্ট হাউজ, হোটেল বসুন্ধরা, হোটেল আলম  ইত্যাদি ইত্যাদি।
  • রুম বুকিং করতে পারেন – বুকিং রুম।

যেখানে খাবেন

  • এই শহরের এর খাবার? ———> এই  শহরে বিখ্যাত নারিকেল ও সুপারি।
  • এছাড়াও রয়েছে বিখ্যাত খাবার চুইয়া পিঠা, চ্যাবা পিঠা, মুইট্টা পিঠা, আল্লান, বিসকি, তালের মোরব্বা, শিরনি, নারিকেলের সুরুয়া, চালের রুটি, মাছ ও মিষ্টি।
  • এই শহরে দু’কদম হাটলেই  বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট, ক্যাফে, হোটেলে খাবার জুটে।

পছন্দের কেনাকাটা 

  • অল ইন ওয়ান বিডি, রাইসা , নিউ মার্কেট, সুপার মার্কেট ইত্যাদি।
  • এই শহরে কেনকাটা হোক আনন্দের সাথে।

কোথায় গাড়ি পাব? কাউন্টার কোথায়? গাড়ি না পেলে কী করবো?  রাতে কী গাড়ি পাব? থাকার জায়গা পাব? রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে?




  • এই শহরের যে প্রান্তে আসবেন না কেন? কিংবা যেখানে থাকেন না কেন? আপনি খুব সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। সব স্টেশনে আপনি কাউন্টার পাবেন। প্রতিটা ষ্টেশনে বিভিন্ন বাস কাউন্টার রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনার গন্তব্যের ঠিকানা খুঁজে নিতে পারবেন।
  • বাস স্ট্যান্ড ২৪ ঘণ্টা যাতায়াত ব্যবস্থা খোলা থাকে। আপনি নিচের দিকে স্ক্রল করলে বাসের ঠিকানা পেয়ে যাবেন।
  • প্রতিটা স্টেশনে, অলি-গলিতে আপনার থাকার ব্যবস্থার য়েছে। উপরে লিংকে প্রবেশ করে রুম বুক করতে পারেন।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানসমূহের তথ্য (কাউন্টার লোকেশন ও ফোন নাম্বার, ভাড়া, বাসের ধরণ (এসি / নন-এসি) এবং এরিয়ার পরিচিতি, যেখানে থাকবেন এবং খাবেন) পেতে এই লিংকে ক্লিক করুন।